ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই করত তারা

0
46

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ডিবি পরিচয়ে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছিনতাইচক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ছিনতাই করা ৩টি ইজিবাইক ও বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে এ তথ্য জানান বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ।

তিনি বলেন, সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গতকাল রাতে বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাই চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের থেকে ৩ টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন বগুড়া সদর উপজেলার ছোট কুমিড়া এলাকার নাজমুল উরফে লাভলু (৩৫), জাকির হোসেন (২৫), সোহেল রানা (৩০), জীবন মিয়া (২৪), এনামুল হক ওরফে আমিনুল (৩২), কাহালু উপজেলার নারহট্ট গ্রামের জনি মিয়া (২২), গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ কাঠুর গ্রামের মহির মিয়া (৩৮)। তাদের আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, গাবতলি উপজেলার মধ্যমারছেও গ্রামের মিলু ফকির গত শনিবার রাত ৯টায় ইজিবাইক নিয়ে গাবতলি উপজেলার নারুয়ামালা বাজার থেকে সোনাতলা উপজেলার গনিয়ারিকান্দি গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে আইয়ুব হোসেনের ইটভাটা সংলগ্ন ব্রিজের কাছে পৌঁছালে একটি সিএনজিসহ দাড়িয়ে থাকা ৩/৪ জন ছিনতাইকারী নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে মিলু ফকিরের ইজিবাইকে তল্লাশি শুরু করে। একপর্যায়ে ড্রাইভার মিলু ফকিরকে মারধর করে তাদের সিএনজিতে তুলে নেয়। এ সময় ছিনতাইকারী দলের ১ জন মিলু ফকিরের ইজি বাইক ছিনতাই করে নিয়ে চলে যায়। ছিনতাইকারী দলের অন্যান্য সদস্যরা মিলু ফকিরকে তাদের সিএনজিতে তুলে রশি ও লুঙ্গি ছিঁড়ে হাত-চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে উপজেলার বুড়ারদহ ব্রিজের পাশে বাঁধা অবস্থায় ফেলে যায়।

বিষয়টি মিলু ফকির পুলিশকে জানালে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের থেকে ইজিবাইক উদ্ধারসহ আরও ২টি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত রশি, তিনটি বার্মিল চাকু, মরিচের গুড়া এবং আসামিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বগুড়া জেলার বিভিন্ন থানায় ছিনতাই মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ওই চক্রের সদস্যরা বগুড়াসহ পাশের এলাকায় বিভিন্ন সময়ে ডিবি পুলিশ পরিচয় ও বিভিন্ন কৌশলে ইজিবাইকসহ নানা ধরনের যানবাহন ছিনতাই করে আসছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here