পবিত্র আশুরা আজ

0
38
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম। মহরম শব্দের অর্থ সম্মানিত। এ মাসের রয়েছে গুরুত্ব ও ফজিলত। মহরমের দশম তারিখকে আশুরা বলে। ‘আশুরা’ আরবি শব্দ, এর অর্থ দশম তারিখ। সৃষ্টির শুরু থেকে মহরমের ১০ তারিখে তথা আশুরার দিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এর ফলে আশুরার মর্যাদা ও মাহাত্ম্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।

পবিত্র কোরআনুল করিমে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘আসমান-জমিন সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর কাছে গণনায় মাসসমূহের সংখ্যা ১২টি, যা আল্লাহর কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) লিপিবদ্ধ রয়েছে। তার মধ্যে চারটি মাস (রজব, জিলকদ, জিলহজ ও মহরম) সম্মানের। এটা হলো সুপ্রতিষ্ঠিত দিন।’ (সুরা তাওবাহ, আয়াত ৩৬)।

৬২ হিজরি সনে কুফার ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত হুসাইন (রা.)-এর শাহাদতবরণ এ দিনকে বিশ্ববাসীর কাছে চিরস্মরণীয় ও অমর করে রেখেছে।

সব নবীর আমলেই আশুরার রোজা ছিল। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কায় থাকতেও আশুরার রোজা পালন করতেন। হিজরতের পর মদিনায় এসে রাসুলুল্লাহ (সা.) দেখতে পেলেন, ইহুদিরাও এই দিনে রোজা রাখে। নবীজি (সা.) তাদের রোজার কারণ জানতে পারলেন এ দিন হজরত মুসা (আ.) সিনাই পাহাড়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওরাত লাভ করেন। এ দিনেই তিনি বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের কবল থেকে উদ্ধার করেন এবং এ দিনেই তিনি বনি ইসরাইলদের নিয়ে লোহিত সাগর অতিক্রম করেন। আর সেই সাগরে ফেরাউন পানিতে ডুবে মারা যায়। তাই ইহুদিরা এ দিন রোজা রাখে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here