শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে উঠবে তিস্তা ইস্যু

0
24

অনলাইন ডেস্ক

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, ‘দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে তিস্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সম্মেলনের ফাঁকে নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা। তিস্তা পানিবণ্টন যে ইস্যুটা আছে, প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে তা তুলবেন। পাশাপাশি অন্য ইস্যুও তো আছে আমাদের।’

আজ রোববার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘জাতিসংঘ পানি সম্মেলন-২০২৩’ নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদও সামনে শেষ হবে। সুতরাং সব বিষয়ে আলাদা করে যৌথ নদী কমিশন আলোচনা করছে। তবে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক স্তরে তিস্তা নিয়ে আমরা আলোচনা করে এসেছি বা রেখেছি।’

তবে তিস্তায় ভারতের অংশে খাল খনন নিয়ে তথ্য জানতে চেয়ে দিল্লিতে পাঠানো চিঠির এখনও উত্তর ঢাকা পায়নি বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।

হাসিনা-মোদির বৈঠকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় নদী নিয়ে আলোচনা হবে কী না এবং আজকের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা আলাদা করে আলোচনা করিনি। কিছুটা সাইডলাইনে বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেছি।’

চলতি বছরের মার্চে তিস্তার পানি প্রত্যাহারে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে দুটি খাল খননের বিষয়ে নয়াদিল্লির কাছে কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে জানতে চেয়েছে ঢাকা। প্রায় পাঁচ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এ বিষয়ে নয়াদিল্লির কোনো বার্তা পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘এখনও পাইনি।’

আগামীতে পানি সমস্যা সমাধানে আগাম সচেতনতার বার্তা দেন পররাষ্ট্র সচিব। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটা ভাব আছে যে- আমাদের অনেক পানি আছে, এটা নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আগামী পাঁচ বছর বা ১০ বছর পর হয়তো আমাদের পানি নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ আসতে পারে। সেজন্য বৈজ্ঞানিকভাবে আমাদের এটা নিয়ে কাজ করতে হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে। আমাদের যে পানি আছে, সেটাকে কীভাবে আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।’

মাসুদ বিন মোমেন আরও বলেন, ‘আমাদের আন্তর্জাতিক কমিটমেন্ট এবং এনগেজমেন্ট আছে, সেটা নিয়ে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারি। রিসোর্স মবিলাইজেশনের ব্যাপার আছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা সম্পর্কিত তহবিল আছে, সেটাকে ভালো ব্যবহার করতে পারি। অনেক কাজ আছে সামনে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here